উত্তরদিনাজপুর

প্রতীক্ষালয় থেকে উদ্ধার এক যুবকের অর্দ্ধদগ্ধ দেহ

সকাল সকাল শ্মশান যাত্রী প্রতীক্ষালয়ে অর্দ্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল ঊত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলা থানা এলাকায়। পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠিয়ে তদন্তে নেমেছে। এই রহস্য মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য এলাকায়। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক লাগোয়া দোমোহনা সুধানী সেতুর পাশে রানিগঞ্জ পঞ্চায়েতের শ্মশানে সাত সকালে ওই অর্দ্ধদগ্ধ মৃতদেহ দেখতে পান এলাকার মানুষ। খবর দেওয়া হয় শ্মশান কমিটির লোকজনকে। তারা খবর জানান ডালখোলা থানায়। শুধু মাত্র মুখ ও বুকের কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছিল ওই মৃতদেহের। পড়নের পোষাক দেখে সনাক্ত হয় মৃতব্যক্তি ওই শ্মশানের দেখভাল এর দায়িত্বে থাকা রণজিৎ মাহাতোর দাদা জ্যোতিষ মাহাতোর। মাসদুয়েক আগে জ্যোতিষ মাহাতোই দীর্ঘদিন ধরে ওই শ্মশান রক্ষানা বেক্ষনের দায়িত্ব সামলাতেন। সেই কাজ ছেরে জ্যোতিষ চলে যান ভিন রাজ্যে কাজ করতে। দুদিন আগেই ফিরে এসেছিল জ্যোতিষ। মদের নেশাও ছিল তার। কিন্তু শ্মশানের যাত্রী প্রতীক্ষালয়ে জ্যোতিষের অর্ধদগ্ধ দেহ কেন? নেশাগ্রস্ত কোনো ব্যক্তি কি নেশার ঘোরে মুখ পুড়তে পুড়তে মরতে পারে? যতখানি আগুনের ছাই পাওয়া গেছে সেই আগুনে কি কোনো মানুষ কি মরতে পারে? জ্যোতিষকে মেরে কেউ মুখ পুড়িয়ে প্রমান লোপাটের চেষ্টা করেনি তো? এইসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।